কামারুজ্জামান-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরের মৃত্যুদণ্ড হয় মিথ্যা মামলায়: মির্জা ফখরুল

মীর কাসেম আলী—এই পত্রিকার (দৈনিক নয়া দিগন্ত) প্রকাশক ছিলেন, সালাউদ্দিন কাদেরসহ তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলায়।’

Oct 26, 2025 - 04:21
 0
কামারুজ্জামান-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরের মৃত্যুদণ্ড হয় মিথ্যা মামলায়: মির্জা ফখরুল

আন্তঃবাণী নিউজ ডেস্ক :

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের ‘মিথ্যা’ মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও মীর কাসেম আলী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) একটি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অংশ নিয়ে তার এই মন্তব্যকে ঘিরে বিএনপিসহ পুরো রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে।

বিএনপির সিনিয়র কয়েকজন নেতার ভাষ্য, মির্জা ফখরুলের মন্তব্যে তারা ‘শকড’। তাদের কারও-কারও প্রশ্ন, জামায়াতের নৈকট্য পাওয়ার চেষ্টা কি-না বিএনপির। কোনও রাজনীতিক অবশ্য মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যকে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন; বলছেন বিভিন্ন সময় পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণেও রাজনীতিবিধরা মন্তব্য করেন, যা অতিমাত্রায় আলোচনার অংশ হলেও গভীর কোনও অর্থ নেই।

আওয়ামী লীগ আমলে নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে আজ শনিবার শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এই দাবি করেন তিনি। দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এই সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলী

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ আমলে নিপীড়নের তথ্য তুলে ধরেন, ১৯৭৫ সালে গণমাধ্যমের ওপর দমন–পীড়নের কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনার শাসনকাল নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির ২০ হাজারের ওপর মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। বিএনপির সাবেক নেতা ইলিয়াস আলীসহ প্রায় ১ হাজার ৭০০ নেতা–কর্মীকে গুম করে দেওয়া হয়েছে। আলেম–ওলামা, জামায়াতে ইসলামীর নেতারা, মাওলানা কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী—এই পত্রিকার (দৈনিক নয়া দিগন্ত) প্রকাশক ছিলেন, সালাউদ্দিন কাদেরসহ তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলায়।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু করে। সেই বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড হয়। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এবি/এসএফ