শাহবাগে এনসিপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ সময় রিয়ানের ছোট ভাই ইউসুফকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। এরপরেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে সংঘর্ষ চললেও এনসিপির কোনো কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখা যায়নি।
আন্তঃবাণী নিউজ ডেস্ক :
রাজধানীর শাহবাগে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে ইউসুফ নামে এক কর্মী আহত হয় বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কনভেনশন হলের তৃতীয় তলায় এনসিপি ঢাকা মহানগর ও জেলা ইউনিটের সমন্বয় সভা চলছিল। এসময় দ্বিতীয় তলায় মোহাম্মদপুর ও বংশাল থানা ইউনিটের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সেখানে আসা নেতাকর্মীরা জানান, মাস তিনেক আগে বংশাল থানার ইমতিয়াজসহ কয়েকজন নেতা মোহাম্মদপুরে একটি কোম্পানির সঙ্গে আর্থিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে যান। তারা ঢাকা মহানগর উত্তরের শোয়েব নামে এক নেতাকে তা অবহিত করেন। শোয়েব রিয়ান নামে মোহাম্মদপুর থানার এক নেতাকে তাদের সাহায্য করতে বলেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রিয়ান বংশাল থানার নেতাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এমনকি বংশালের নেতাদের আটকে রাখারও চেষ্টা করা হয়। তবে তারা কৌশলে পালিয়ে আসেন। পরে বিভিন্ন সময় রিয়ানের সঙ্গে টাকা ফেরত চেয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা। সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় কনভেনশন হলে রিয়ানকে দেখলে বংশালের নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় ইমতিয়াজ টাকার কথা জিজ্ঞাসা করে।
এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ সময় রিয়ানের ছোট ভাই ইউসুফকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। এরপরেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে সংঘর্ষ চললেও এনসিপির কোনো কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখা যায়নি।
বংশাল থানা এনসিপির কর্মী সৌরভ বলেন, অনেকদিন ধরে রিয়ানকে ফোন করে টাকা চাওয়া হলে তিনি বারবার এড়িয়ে যেতেন, ফোন নাম্বার ব্লক করে দিতেন। কোনোভাবেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। আজ তাকে কনভেনশন হলে দেখে তার কাছে টাকা ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মোহাম্মদপুরের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করেন। এতে ইউসুফ নামে বংশাল থানার এক কর্মীর মাথা ফেটে যায়। এরপর আমরাও ওদের সাথে মারামারিতে জড়াই। টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমও জানেন।
এবি/এসএফ





