বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ: মানুষ গড়ার কারিগরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
শিক্ষকরা কেবল পাঠদাতা নন, তাঁরা জাতির বিবেক, সভ্যতার পথনির্দেশক। তাঁদের প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আন্তঃবাণী প্রতিনিধি: আজ ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবস। জ্ঞান, মানবতা ও আলোর পথপ্রদর্শক মানুষ গড়ার কারিগরদের সম্মান জানানোর দিন এটি। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও আবেগঘন পরিবেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘শিক্ষকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি’।
শিক্ষক কেবল পাঠ্যবই পড়ান না, তিনি জাতির চেতনা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের ভীত রচনা করেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এক একজন শিক্ষক প্রজন্মের পর প্রজন্মকে গড়ে তোলেন নতুন দিশায়। তাই শিক্ষকদের অবদান জাতি কখনোই ভোলার নয়। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—বাংলাদেশে আজও অনেক শিক্ষক আর্থিক সংকট ও প্রাপ্য মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আজ বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার (সিআর আবরার)। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব, নীতিনির্ধারক ও শিক্ষকেরা অংশ নেবেন এ আয়োজনে।
অন্যদিকে, গতকাল মগবাজারে দৈনিক শিক্ষা ডটকম-এর সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ কলেজশিক্ষক সমিতি (বাকশিস) ও অধ্যক্ষ পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আদর্শ শিক্ষকেরা সমাজের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাঁদের প্রাপ্য সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত না করলে জাতির অগ্রযাত্রা সম্ভব নয়।”
সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন অধ্যক্ষ পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ মাযহারুল হান্নান এবং সভাপতিত্ব করেন কলেজশিক্ষক সমিতির সভাপতি ইসহাক হোসেন। আলোচনায় বক্তারা শিক্ষকদের সামাজিক অবস্থান, আর্থিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
আজকের এই দিনে গোটা জাতি একক কণ্ঠে উচ্চারণ করে— শিক্ষকরা কেবল পাঠদাতা নন, তাঁরা জাতির বিবেক, সভ্যতার পথনির্দেশক। তাঁদের প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি।
এবি/সিএস





